প্রযুক্তি

ফ্যাটি লিভার থেকে মুক্তির উপায় – Fatty liver theke moktir upay

আমাদের দেশে ঘরে ঘরে যেমন ডায়াবেটিকস ও কিডনি রোগি দেখা যায় ,তেমনি আজকাল ফ্যাটি লিভারের রোগিও দেখা যায় । লিভার বা যকৃতে চর্বি জমা হওয়াকে ফ্যাটি লিভার বলা হয়।

Fatty liver theke moktir upay

ফ্যাটি লিভার থেকে মুক্তির উপায়

অনেকে এই রোগকে পাত্তা দেয় না , কিন্তু এই রোগের চিকিৎসা না করলে পরিনিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে ফ্যাটি লিভারে কেউ আক্রান্ত হয়েছেন তা বুঝতে অনেক সময় লেগে যায়।

আজকে আমরা এই আর্টিকেলটিতে ফ্যাটি লিভার থেকে মক্তির উপায়(fatty liver theke moktir upay) বিস্তারিত আলোচনা করব।

ফ্যাটি লিভার কি?

লিভার বা যকৃত দেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি। এর ওজন দেহের ওজনের প্রায় (৩-৫%)।এটি প্রাণীদেহের বিপাক ও বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজের অংশগ্রহন করে থাকে। লিভারের ওজনের পাঁচ থেকে দশ ভাগের বেশি চর্বি দ্বারা পূরণ হয়ে যায় তাহলে মানবদেহে যে রোগটি হয় তাকে ‘ফ্যাটি লিভার’ বলে ।

পশ্চিমা বিশ্বের লোকের সাধারনত অতিরিক্ত মধ্যপানের কারনে ফ্যাটি লিভার হয়ে থাকে। ফ্যাটি লিভার আবার দুই ধরনের হয়ে থাকে । যেমনঃ


১.অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার
২.নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার

ফ্যাটি লিভার কেন হয়

যাদের দেহে অতিরিক্ত ওজন, রক্তে অধিকপরিমাণে ট্রাইগ্লিসারাইড, ডায়াবেটিকস, খারাপকোলেস্টেরল, এলোমেলো জীবনযাপন,চর্বি ও কার্বোহাইড্রেট বিপাকের জামেলার কারনে তাদের লিভারে চর্বি জমে যায়। অন্যান্য রোগ ও বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খাওয়ার কারণেও ফ্যাটি লিভার রোগটি হতে পারে।

এছাড়া যাদের ওজন কম তাদেরও এ রোগটি হতে পারে,সেক্ষেত্রে এটিকে লিন ফ্যাটি লিভার বলে। আমাদের বচ্চাদের প্রতি নজর রাখা উচিত। কারন বচ্চাদের মাঝে এই রোগের হার প্রায় ১৫ শতাংশ ।

ফ্যাটি লিভার এর লক্ষণ

ফ্যাটি লিভার একটি নীরব ঘাতক রোগের মত। সাধারণত মানুষ সহজে বুজতে পারে না তার ফ্যাটি লিভার রোগটি আছে । রোগটির শুরুর দিকে কোন লক্ষণ থাকে না । শুধু লিভারের চারপাশে সামান্য পরিমাণে চর্বি জমা হয়, আর কোন লক্ষন প্রকাশ পায় না।

যদি কেউ আলট্রাসনোগ্রাম করে তাহলে রোগটি ধরা পড়ে।তারপরও আমরা নিচের ফ্যাটি লিভার এর লক্ষণ গুলি দেখে সহজেই বুঝতে পারব আপনার ফ্যাটি লিভার রোগটি হয়েছে কিনা।

  • ফ্যাটি লিভার এর লক্ষণ হলো আপনার কোমড়ের মাপ বা ভুঁড়ির পরিমাণ বেড়ে যাবে।
  • আপনার খাবার হজমের সমস্যা ও এসিডিটি হবে।
  • আপনার নখ,মুখ,হাতের তালু ও চোখ হলদে হয়ে যাবে।
  • রোগটি হলে মাথাব্যাথা, আচমকা কাঁপুনিসহ ,মন খারাপ ও ডিপ্রেশনে ভোগতে থাকবেন।
  • আপনার খাবারের ইচ্ছা কমে যাবে,খাবারে অরুচি দেখা দিবে,ওজন দিন দিন কমে যাবে ও বমি বমি ভাব হবে।
  • রক্তে বিলরুবিনের পরিমাণ বেড়ে যাবে।
  • অনেক সময় টিবির ওষুধ , হরমোনের ওষুধ ,ব্যাথার ওষুধ ও অতিরিক্ত অ্যান্টিবয়োটিক সেবনের ফলে লিভারের কার্যক্রম কমে যায়।

উপরোক্ত লক্ষণ দেখা দিলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিসৎকের পরামর্শ নিতে হবে। তা না হলে লিভার ক্যান্সার হতে পারে । লিভারের আকার দিন দিন বড় হয়ে যাবে ,রোগীর শরীর দুর্বল হয়ে মৃত্যুর কোলের ঢলে পরতে পারে ।

ফ্যাটি লিভারের ঝুকিতে আছেন যারা

*টাইপ ২ ডায়াবেটিকস আছে যাদের ।
*মেনোপজ শুরু হয়েছে এমন নারীর।
*স্থুলতা আছে যাদের।
*কোলেস্টরেলের মাত্রা যাদের বেশি ।
*দীর্ঘ দিন ধরে উচ্চরক্তচাপে ভোগছেন যারা।

ফ্যাটি লিভার হলে কি সমস্যা হয়

ছোট হোক বড় হোক , একবার মেদ বা ভুঁড়ি বেড়ে গেলে লিভারে চর্বি জমা হবেই।এই কারনে লিভারের যে স্বাভাবিক কার্যক্রম তার অনেকটা ব্যহত হয়ে থাকে। ফ্যটি লিভার হলে শুরুতে সমস্যাগুলি সহজে উপলব্ধি করা যায় না প্রাথমিক অবস্থায় খাবার খেতে মন চায় না , খাবারে অরুচি তৈরি হয়। যে কোন খাবার হালকা গন্ধ আসে ।

খাবার খেতে না পারার কারনে শরীরেরে ওজন দ্রুত গতিতে কমে যায়। বমি বমি ভাব থাকে এমনকি বমিও হয়। কোন কাজে মন বসে না , শরীর অনেক দুর্বল লাগে । কাজ করার ইচ্ছা শক্তি পর্যন্ত চলে যায়। এ রোগের কারনে শরীর থেকে টক্সিন পদার্থ বের হতে পারে না । প্রসাবের রং হলুদ হতে থাকে এবং প্রসাবে অতিরিক্ত দুর্গন্ধ আসে।

ফ্যাটি লিভারের গ্রেড কি

ফ্যাটি লিভারকে আলট্রাসনোগ্রাফির ভিত্তিতে তিনটি ক্যাটেগরি বিভক্ত করা হয়ে থাকে । ক্যাটেগরি গুলি হচ্ছে যথাক্রমে লিভার গ্রেড ১ , লিভার গ্রেড ২ ও লিভার গ্রেড ৩।

যখন আলট্রাসনোগ্রাফিতে শুধুমাত্র ইনক্রিজ ইকোজেনেসিটি অর্থাৎ আলট্রাসনোগ্রাফিতে দেখা যায় যখন ইকোজেনেসিটি বেড়ে যায় এবং গলব্লাডারের এ্যাটেরি ওয়াল দেখা যায় তাকে গ্রেড ১ ফ্যাটি লিভার বলে।

আর গ্রেড ২ ফ্যাটি লিভার হলো যখন আলট্রাসনোগ্রাফিতে লিভাবের ইকোজেনেসিটি বেড়ে যায় সাথে পোর্টাল শিরার যে শাখা প্রশাখা দেখা যায় না তখন তাকে গ্রেড ২ ফ্যাটি লিভার বলা হয়ে থাকে। গ্রেড ৩ ফ্যাটি লিভার হলো যখন আলট্রাসনোগ্রাফিতে লিভাবের ইকোজেনেসিটি বেড়ে যায় সাথে পোর্টাল শিরার যে শাখা প্রশাখা দেখা যায় না , লিভারের প্রাচীরের ওয়াল দেখা যায় না এমনকি ডায়াফ্রামকেও নির্দিষ্ট করে চিহ্নিত করা যায় না তখন তাকে গ্রেড ৩ ফ্যাটি লিভার বলে ।

তবে আলট্রাসনোগ্রাফি থেকে ফ্রাইবোস্ক্যান বেশি কার্যকরী কেননা আলট্রাসনোগ্রাফিতে তখনই ফ্যাটি লিভার ধরা পড়ে যখন লিভারে ৩৩% বেশি ফ্যাট বা চর্বি জমা হয় । কিন্তু ফাইবোস্ক্যান হচ্ছে এমন একটি প্রমিজিং এবং সূক্ষ একটি পরীক্ষা যার মাধ্যমে লিভারে ১ শতাংশ, ২ শতাংশ ও ৫ শতাংশ চর্বি জমলে সেটি খুব সূক্ষাতি সূক্ষভাবে নির্ণয় করা সম্ভব হয়।

ফ্যাটি লিভার হলে কি খাওয়া উচিত

ফ্যাটি লিভার থেকে মুক্তির উপায় আমাদের খাদ্য তালিকায় কিছু নতুন খাবার যোগ করতে হবে ,আবার খাদ্য তালিকা থেকে কিছু খাবার বাদ দিতে হবে । আসুন প্রথমে জেনে নেই আমাদের কি কি খাবার খাওয়া উচিত –

১.সবুজ শাকসবজিঃ ব্রকলি , পালংশাক, কচুশাক ও বিভিন্ন সবুজ শাকসবজি রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইবার। এই উপাদানগুলো শরীরে চর্বি জমতে দেয় না। তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় এই ধরনের শাকসবজি রাখতে হবে।

২. সোয়াবিনঃ সোয়াবিন থেকে তৈরি টোফু আমাদের লিভারে চর্বি জমতে দেয় না।

৩. ওটসঃ ওটস সুগার লেভেল ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে , চর্বি জমতে দেয় না ।তাই আমাদের উচিত নিয়মিত ওটস খাবার খাওয়া।

৪. রসুনঃ রসুন আমাদের শরীর থেকে খারাপ কলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

৫. গ্ৰিন টিঃ লিভারের ফ্যাট কমাতে গ্রিন টি কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

৬.ভিটামিন ডিঃ দুধ,ছানা ও ডিমের পরিমিত পরিমাণে ভিটামিন ডি থাকে । ভিটামিন ডি ফ্যাটি লিভারের জন্য ভালো। তাই ফ্যাটি লিভারের রোগীদের এ খাবারগুলি খাওয়া উচিত।

৭.কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেটঃ সরল কার্বোহাইড্রেট শরীরে সমস্যা তৈরি করে থাকে । আর কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট ফ্যাটি লিভার কমায়।

৮.মাছঃ মাছে একই সাথে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড ও প্রোটিন থাকে। ফ্যাটি লিভারের জন্য মাছ ভালো । তাই আপনি আপনার খাদ্য তালিকায় মাছ অবশ্যই রাখবেন। তবে ছোট মাছ খেতে পারলে আরও বেশি ভাল হবে।

৯. মাংসঃ মুরগির মাংসে প্রোটিনের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে ফাইবার । তাই চর্বিযুক্ত বা রেডমিট পরিহার করে সপ্তাহে ২-৩ বার মাংস খাওয়া যেতে পারে।

১০. পটাশিয়ামঃ মটর, মিষ্টি আলু, কলা, কিউই ও অ্যাপ্রিকট এবং কিছু সবজিতে পটাসিয়াম থাকে । পটাশিয়াম আমাদের দেহের নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার কমাতে সাহায্য করে।

আমরা যদি নিয়মিত উপররের খাবারগুলি আমাদের খাদ্য তালিকায় রাখি তাহলে খাবারগুলি ফ্যাটি লিভার থেকে মুক্তির উপায় হিসেবে অন্যতম উপায় হিসেবে কাজ করবে।

ফ্যাটি লিভার হলে যে সব খাবার খাওয়া উচিত নয়

ফ্যাটি লিভার থেকে মুক্তির উপায় হিসেবে আমাদের নিচের খাবারগুলি অব্যশই খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিতে হবে ।

১. অ্যালকোহলঃ ফ্যাটি লিভার হওয়ার অন্যতম বড় কারনের মধ্যে অ্যালকোহল খাওয়া। তাই ফ্যাটি লিভার থেকে বাচতে হলে অ্যালকোহল খাওয়া বাদ দিতে হবে।

২. মিষ্টিজাতীয় খাবারঃ বিভিন্ন মিষ্টিজাতীয় খাবার যেমনঃ ক্যান্ডি, কুকিজ, সোডাস এবং ফলের জুস লিভারে চর্বির মাত্রা আরও বাড়ায় দেয় । তাই এ খাবার গ্রহন করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

৩. তেলে ভাজা খাবারঃ এ খাবারে ফ্যাট ও ক্যালরির পরিমাণ বেশি থাকতে তেলে ভাজা খাবার খাওয়া যাবে না।

৪. লবণের কম ব্যবহারঃ লবণ বেশি খেলে শরীরে অতিরিক্ত পানি ধরে তাই লবণ খাওয় থেকে বিরত থাকতে হবে।

৫. প্রক্রিয়াজাত খাবারঃ সাদা রুটি, ভাত ও পাস্তা এগুলি প্রক্রিয়াজাত খাবার।এতে ফাইবারের পরিমাণ অনেক কম । এরা রক্তে শর্করা বাড়ায় দেয়। তাই এ খাবার না খাওয়াই উত্তম হবে।

৬. গরুর মাংসঃগরুর মাংসে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ অনেক বেশি। ফ্যাটি লিভার থেকে মুক্তির উপায় হবে যদি খাবার একেবারেই না খান।

ফ্যাটি লিভার থেকে মুক্তির উপায় কি

অনেক দিন ধরে ফ্যাটি লিভার থাকতে থাকতে লিভার সিরোসিস বা লিভার ক্যানসার এর দিকে টার্ন নেয়। লিভার তার কাজ করা বন্ধ করে দেয় । অবশেষে লিভার ফেলিউর এর সম্ভাবনা থাকে। সেই সাথে ক্যানসারহতে পারে।

ফ্যাটি লিভার থেকে মুক্তির উপায়  হচ্ছে আমরা যদি আমাদের অভ্যাসটা পরিবর্তন করে ফেলি যে কারনে ফ্যাটি লিভার হচ্ছে তাহলে পুনপরায় নরমাল হতে পারে। ফ্যাটি লিভার থেকে মুক্তির উপায় হচ্ছে ওজন কমানো । কিন্তু না খেয়ে বা ওষুধের মাধ্যমে ওজন কমাতে যাবেন না এতে হিতের বিপরীত হতে পারে ।

ওজন কমাতে নিচের নিয়মগুলি প্রতিদিন মানতে পারেন।

  • প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট মেদ কমানোর ব্যায়াম করুন।
  • এক গ্লাস গরম পানিতে সেখানে ১চামচ অ্যাপল সিডার ভিনেগারে মিশিয়ে এর সাথে ১ চামচ মধু দিন। প্রতিদিন খালি পেটে খাবেন ।এতে অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার রোগিদের ফ্যাটের পরিমান কমতে থাকবে।
  • এছাড়া ১ গ্লাস গরম পানিতে ২চামচ পাতি লেবুর রস ও ১ চামচ মধুর মিশ্রন লিভারের চর্বি বার্ন করতে সাহায্য করে।

ফ্যাটি লিভারের হোমিও ঔষধ

হোমিও ওষুধ সাধারন প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি করা হয়ে থাকে ।ফ্যাটি লিভারের জন্য কিছু সাধারণ হোমওপ্যাথি ঔষধ-

  • লাইকোপডিয়াম-যদি গ্যাস বা অম্লতার সমস্যার জন্য ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দেখা যায় তাহলে সেক্ষেত্রে এটি খুব উপকারী। এই ক্ষেত্রে রোগীর পেটের সমস্যা এবং জ্বালাভাব অনুভব করেন। এই ক্ষেত্রে রোগীর সন্ধ্যার দিকে শরীর খারাপ হয়ে যায় এবং মিষ্টি জাতীয় বা গরম পানীয় খেতে ইচ্ছা করে।

  • চেলিডোনিয়াম- পেটের ডান দিকে অস্বাভাবিক ব্যথা যা ফ্যাটি লিভারের লক্ষণ, তা নির্মূল করতে এটি সহায়ক। এই ক্ষেত্রে,লিভারের আকার বেড়ে যায় এবং রোগী কোষ্ঠকাঠিন্য, বমি বমি এবং বমির সমস্যায় ভোগেন। এবং রোগীর মধ্যে অত্যাধিক দুর্বলতা দেখা যায় এবং গরম খাদ্য ও পানীয় খাবার ইচ্ছা রাখে।

  • ফসফরাস-এটি সেই ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় যখন ঢেকুরের সাথে ফ্যাটি অ্যাসিড বের হয়। অনেক সময় রোগী এক্ষেত্রে পেটে ব্যথা অনুভব করে। এর সাথে বমি হয় এবং শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে।

  • ক্যালকেরিয়া কার্ব-মোটা রোগীদের ক্ষেত্রে এই রোগের চিকিৎসা করা হয় ক্যালকেরিয়া কার্ব দিয়ে। এইসব মানুষের পেট ভার হয়ে থাকে,ল্যাকটোজের সমস্যা হয় এবং দীর্ঘ সময় ধরে কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা থাকে। এরা সবসময় ঠাণ্ডা জায়গায় থাকতে ভালোবাসে এবং প্রচণ্ড ঘেমে যায়।

  • নাক্সভোমিকা-যে ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রে কোন কিছুখাওয়ার পর পেট ব্যথা হয় তার প্রতিকার হিসাবে নাক্সভোমিকা ব্যবহার করা হয়।

শেষকথাঃ

ফ্যাটি লিভার একটি নীরব ঘাতক । এই নীরব ঘাতকটি লিভারের কার্যক্রমকে অকেজো করে দিয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে পারে । আপনি যদি ফ্যাটি লিভার থেকে মুক্তির উপায় খোঁজেন তাহলে প্রথমে জীবনধারাতে পরিবর্তন আনতে হবে।

আর এক বার লিভারে ফ্যাট জমে গেলে ,ফ্যাটি লিভার থেকে মুক্তির উপায় হচ্ছে নিয়মিত ব্যায়াম করা,ফ্যাটবিহীন খাবার খাওয়া ,অ্যালকোহল খাওয়া থেকে বিরত থাকা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button