প্রযুক্তি

শিশুর নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ, প্রতিকার, চিকিৎসা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা

একটি শিশু জন্মের পর প্রত্যেক পিতা মাতার প্রধান লক্ষ্য থাকে তাকে সুস্থ রাখা । কিন্তু শিশু জন্মের সাথে সাথে তার দেহে কিছু রোগের লক্ষণ দেখা যা নিয়ে পিতা মাতা আতঙ্কে থাকেন ।

এই রোগগুলি মধ্যে নিউমোনিয়া রোগেরব লক্ষণ অন্যতম ।আজকে এই আর্টিকেলটিতে নিউমোনিয়া কী , নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ ,প্রতিকার ,চিকৎসা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার চেষ্টা করব ।

শিশুর নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ - প্রতিকার,চিকিৎসা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা
শিশুর নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ – প্রতিকার,চিকিৎসা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা

নিউমোনিয়া কী

ফুসফসের প্যারেনকাইমার প্রদাহজনিত রোগের নামকে নিউমোনিয়া বলে । এই রোগটি সাধারণত ব্যাক্টেরিয়া , ভাইরাস ও ছত্রাকের সংক্রমণের কারণে হয়ে থাকে। মেডিকলের ভাষায় রোগটি Respiratory tract infection নামে পরিচিত ।এর রোগটি মূলত ফুসফুস ও শ্বাসযন্ত্রকে আক্রান্ত করে থাকে । বাচ্চাদের মধ্যে নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ শীত ও বর্ষাকালে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় । তাই এই সময় আগে থেকে সাবধান থাকতে হবে।

নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ

অন্যান্য রোগের মতো নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ দেখা যায় যা দেখে আপনি সহজে রোগটিকে চিহ্নিত করতে পারবেন । তবে শিশুভেদে নিউমোনিয়ার লক্ষণ ভিন্নতা দেখা যায় । কেননা এর লক্ষণ বাচ্চার শারীরিক অবস্থা ও কি ধরনের ভাইরাস, ব্যাক্টেরিয়া ও ছত্রাক দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে তার উপর নির্ভর করে। নিউমোনিয়ার লক্ষণ সমূহ নিচে আলোচনা করা হলঃ

  • জ্বরঃ অন্যান্য রোগের মত নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ হিসেবে শিশুর দেহে সর্বপ্রথম জ্বর দেখা দেয় । এই জ্বর উঠা নামা করে অর্থাৎ জ্বর কখনো বেশি আবার কখনো কম আবার জ্বর নেই বললেই চলে। তাই শিশুর জ্বর হলে তার উপর বিশেষ নজর রাখা উচিত।

  • কাশিঃ নিউমোনিয়ার কারনে শিশুর জ্বরের সাথে প্রথমে হাল্কা কাশি দেখা দেয়। এই কাশি পরে বেড়ে আরও দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে ।

  • শ্বাসকষ্টঃ যেহেতু নিউমোনিয়া রোগটির জীবাণু ফুসফুস ও শ্বাসযন্ত্রকে সংক্রমণ করে ।এর ফলে শিশুর শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় ।

  • কাপুনিঃ বাচ্চার নিউমোনিয়ার রোগের লক্ষণ হিসেবে কাপুনি দেখা দিতে পারে।

  • ঘাম হওয়াঃ উপরে আমরা যেমনটা বলেছি নিউমোনিয়া হলে ছেড়ে ছেড়ে জ্বর আসে আবার জ্বর উঠা নামা করে এতে আক্রান্ত শিশুর শরীর থেকে ঘাম নিঃসরিত হয়।

  • বুকে ব্যাথা যা শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে উঠা নামা করেঃ ছোট বাচ্চারা তাদের বুকে ব্যাথার লক্ষণটির কথা বলতে পারে না । কিন্তু তারা শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়ার সময় কেদে দেয় । এতে সহজেই বুঝা যায় শিশুর বুকে ব্যাথা আছে যা শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে উঠা নামা করে ।

  • মাথা ব্যথাঃ নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ হিসেবে উপরেরে লক্ষণগুলি ছাড়াও শিশুর মাথব্যাথা দেখা দেয় ।এতে শিশু কান্নাকাটি করে , খাবার খেতে চায় না।

  • মাংসপেশীতে ব্যাথাঃ নিউমোনিয়া হলে বাচ্চার বুকে ব্যাথা , মাথা ব্যাথার পাশাপাশি মাংসপেশিতেও ব্যাথা দেখা যায়।

  • ক্লান্তি অনুভব করাঃ এই রোগের কারনে বাচ্চা প্রচুর ক্লান্তি অনুভব করে । আগের মত হাসিখুশি থাকে না শুধু পড়ে পড়ে ঘুমায় ।

উপরের লক্ষণগুলি দেখেই আপনি সহজে আপনার বাচ্চার নিউমোনিয়া হয়েছে কি না বুঝতে পারবেন।

নিউমোনিয়া রোগীর খাবার

নিউমোনিয়া রোগীকে বেশিরভাগ সময় বিশ্রামে থাকতে হবে পাশাপাশি পানি ,পুষ্টিকর ও তরল খাবার গ্রহন করা করতে হবে। কেননা তরল খাবার দেহের পানিশূন্যতার পাশাপাশি ফুসফুসের শ্লষ্মাকে পরিষ্কার করতে সাহায্য করে । রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এমন পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। নিউমোনিয়া প্রতিরোধের উপায় হিসেবে নিউমোনিয়া হওয়া মাত্রই বাচ্চা বড় হলে দুগ্ধ জাত খাবার বাদ দিয়ে অন্য খাবার দিবেন । দুগ্ধ জাত খাবার বুকে কফ জমতে সাহায্য করে ।

নিউমোনিয়ার ঘরোয়া চিকিৎসা

নিউমোনিয়া হচ্ছে ফুসফুসের প্রদাহজনিত রোগ উপরে যেমনটা বলেছি । নিউমোনিয়া রোগটি হতে যেমন সময় লাগে তেমনি সুস্থ হতে সময় লাগবে । এক্ষেত্রে এক সপ্তাহ বা তার বেশি সময় লাগতে পারে। আপনাদের অনেকের ধারনা আছে যে কোভিড-১৯ সংক্রমনের নতুন এক ধরনের নিউমোনিয়ার আর্বিভাব ঘটে । তাই ডাক্তাররা নিউমোনিয়ার ধরনের উপর ভিত্তি করে ওষুধ দিয়ে থাকেন । তবে আপনার নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ দেখা দেয়া মাত্রই যদি কিছু নিউমোনিয়ার ঘরোয়া টোটকা চিকিৎসা করেন তাহলে এই রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন । তাই নিচে বাচ্চাদের নিউমোনিয়ার ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলঃ

  • তরল খাবার গ্রহনঃ

একজন লোক সুস্থ্য থাকলে তাকে যেমন প্রতিদিন প্রচুর তরল খাবার খেতে হয় ,তেমনি অসুস্থ হলে এই তরল খাবারের গুরুত্ব আরো বেড়ে যায় । বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের ধারণা তরল জাতীয় খাবার নিউমোনিয়া আক্রান্ত রোগীর ফুসফুসের শ্লেষ্মা বের করে দেয় । তাই নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ দেখা দেয়া মাত্রইভিভ আপানার বাচ্চাকে তরল খাবার হিসেবে কুসুম গরম দুধ, স্যুপ দিন । এতে করে বাচ্চার পেটও ভরা থাকবে এবং ফুসফুসের শ্লেষ্মও বের হয়ে যাবে।

  • লেবু ও মধু:

একটি শিশুর নিউমোনিয়া রোগ দেখা দিলে কাশি হবে স্বাভাবিক । কিন্তু আমাদের অনেকে বাচ্চাদের সর্দি কাশির ওষুধ হিসেবে সিরাপ দিয়ে থাকে। সিরাপ দেয়া ঠিক হবে না কেননা কাশির মাধ্যমে বাচ্চার ফুসফুস থেকে শ্লেষ্মা বের হয়ে যাবে । আর যদি এই কাশির পরিমাণ অনেক বেড়ে যায় তাহলে মধু ও লেবু খাওয়াতে পারেন ।মধুতে প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধী উপাদান থাকে যা নিউমোনিয়া রোগের চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে । তাই কুসুম গরম পানিতে লেবু ও মধু মিশিয়ে খেলে বাচ্চার সর্দি কাশির ওষুধ হিসেবে কাজ করবে ।

  • ব্যথার ওষুধ:

নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ এ আমরা জানতে পেরেছি বাচ্চার শরীর , মাংসপেশিতে ব্যাথা হয় । তাই আপনার বাচ্চার শরীরে অতিরিক্ত ব্যাথা থাকলে এর প্রতিষেধক হিসেবে আইবুপ্রোফেন ও প্যারাসিটামলের মতো ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়াতেপারেন । তবে এই ওষুধগুলি ডাক্তার এর পরামর্শ নিয়ে সঠিক ডোজ খাওয়াবেন । আর যদি ডাক্তার কোন অ্যান্টিবায়োটিক দেন তাহলে এর সম্পূর্ণ ডোজ কমপ্লিট করতে হবে । কমপ্লিট না করলে নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ পুনরায় দেখা দিতে পারে ।

  • গরম ভাপ:

যদি শিশুর শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকগুন বেশি থাকে তাহলে গরম ভাপ দিতে পারেন। গরম ভাপ দেয়ার জন্য একটি পাত্রে কুসুম গরম পানিতে কাপড় বা ন্যাকড়া ভিজিয়ে শিশুর মাথা বা ঘাড়ের কাছে রেখে দিন । এতে করে বাচ্চার শরীর থেকে তাপমাত্রা কমে যাবে এবং শরীর শীতল হবে।

  • সঠিকভাবে কাশি দেয়া:

কাশি আসলে আপনার বাচ্চাকে কাশতে বলবেন এর ফলে ফুসফুসের শ্লেষ্মা বের হয়ে যাবে । কাশির কারনে নিউমোনিয়া রোগের সর্বোচ্চ উপকার পাওয়া যায় । কাশির কারনে ব্যাথা অনুভুত হলে সহায়ক হিসেবে পেটে বালিশ দিয়ে আলতু করে চাপ দিতে পারেন ।

  • বাষ্প স্নান:

শিশুকে যদি আর্দ্র বাতাসে শ্বাস প্রশ্বাস নেয়ার ব্যবস্থা করে দেয়া যায় তাহলে ফুসফুসের শ্লেষ্মা দ্রুত আলগা হবে । তাই আপনার বাচ্চাকে বাষ্প স্নান করাতে পারেন । এর জন্য বাতাসের আর্দ্রতা বাড়াতে বাথরুমে হিউমিডিফাইয়ার ব্যবস্থা করতে পারেন । তবে রুমের আর্দ্রতা সঠিক মাত্রা বাজায় রাখতে যন্ত্রটির নির্দেশিকা অনুসরণ করবেন।

  • ফুসফুসের ব্যায়াম:

নিউমোনিয়ার রোগের লক্ষণ দেখা দেয়ার সাথে সাথে আপনার বাচ্চাকে ফুসফুসের ব্যায়াম করতে বলবেন । এতে করে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা অনেকাংশে বেড়ে যাবে। আপানার বাচ্চাকে নিন্মোক্ত উপায়ে ফুসফুসের ব্যায়াম
করতে বলতে পারেন ।
১। বাচ্চাকে ৫ থেকে ১০বার গভীরভাবে শ্বাস নিতে বলুন।
২।এরপর মাঝে মাঝে ৩ থেকে ৪ বার কাশি দিতে বলুন ।
৩। স্ট্র দিয়ে হালকা কুসুম গরম পানি পান করতে বলুন ।

  • বিশ্রাম নেয়া:

নিউমোনিয়া রোগ প্রতিরোধের অন্যতম উপায় হচ্ছে বিশ্রাম নেয়া । আপনার বাচ্চার নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ দেখা দেয়া মাত্রই তাকে বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দিবেন। পর্যাপ্ত বিশ্রাম আপনার বাচ্চাকে এই রোগটি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করবে।

নিউমোনিয়ার ঔষধের নাম

আপনাদের মাঝে অনেকে জানতে চন নিউমোনিয়ার ঔষধের নাম কি ?নিউমোনিয়া রোগের ওষুধ হিসেবে ওফুক্সিন ২০০ এম জি ইনজেকশন (Ofuxin 200 MG Injection) ব্যবহার করা হয় । এই ওষুধটি অ্যান্টিবায়োটিক ড্রাগ যা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ এর বিরুদ্ধে লড়াই করে। ওষুধটি সাধারনত ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস, নিউমোনিয়া, যক্ষ্মা টিউবারকুলোসিস এ ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। তবে কোন ওষুধই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা উচিত না। বিশেষ করে ছোট শিশু একদমই করা উচিত না , কেননা প্রত্যেক ওষুধ ব্যবহারের মাত্রা আছে । ওভার ডোজ হলে পরিনিতি আরও ভয়ানক হতে পারে।

নিউমোনিয়া রোগের চিকিৎসা

সাধারনত নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ দেখা দেয়ার সাথে সাথে চিকিৎসকের শরনাপন্ন হয়ার দরকার নেই । তবে এই রোগের সংক্রমনের ধরণ ও তীব্রতার উপর নির্ভর করে আপানার বাচ্চার চিকিৎসা করাতে হবে। নিউমোনিয়ার বিভিন্ন ওষুধ পাওয়া যায় যা ডাক্তার আপনার বাচ্চার বয়স ও রোগের তীব্রতা অনুযায়ী দিবেন । তাই নিচের একজন বিশেষ্ণ ডাক্তারের নিউমোনিয়া চিকিৎসা তুলে ধরা হলঃ

  • অ্যান্টিবায়োটিক: আপনার বাচ্চার নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ যদি ব্যাক্টেরিয়া দ্বারা সংক্রম এর জন্য দেখা দেয় তাহলে তাকে সুস্থ করার জন্য শিরায় অথবা মুখের অ্যান্টিবায়োটিক দিতে হবে। যদি বাচ্চা খাবার খেতে না পারে তাহলে শিরায় অ্যান্টিবায়োটিক দিতে হবে। নিউমোনিয়ার উপসর্গ না কমলে অ্যান্টিবায়োটিক গুলি পুনরায় প্রতিস্থাপন করতে হবে।

নিউমোনিয়া রোগের চিকিৎসা
নিউমোনিয়া রোগের চিকিৎসা
  • কাশির ওষুধ: আপনার শিশুর কাশি যদি ক্রমেই বাড়তে থাকে তাকে সঠিক বিশ্রাম এর ব্যবস্থা করতে হবে। কাশির ওষুধ কমিয়ে তরল অপসারনের জন্য কাশতে দিতে হবে।তাই কাশির ওষুধের ডোজ কমিয়ে দিন ।

  • অ্যান্টিপাইরেটিকস:যখন বাচ্চার নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ দেখা দেয় এর সাথে জ্বর ও ব্যাথা অনুভব করে । তাই জ্বর ও ব্যাথা কমানোর জন্য প্যারাসিটামল খাওয়াতে হবে।

  • অক্সিজেন থেরাপিঃ আপনার বাচ্চা যদি অধিক পরিমাণে শ্বাস কষ্টে ভুগে তাহলে অক্সিজেন গ্যাস দিতে হবে । এতে বাচ্চার অক্সিজেন ঘাটতি পূরণ হবে।

  • আপনার বাচ্চা যদি গুরুতর অসুস্থ হয় তাহলে অব্যশই মেডিকেলে ভর্তি করাতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি ঢাকা শিশু হাসপাতালে ভর্তি করাতে পারেন ।এই মেডিকেল এ ভাল শিশু বিশেষ্ণ ডাক্তার আছেন ।

নিউমোনিয়া প্রতিরোধের উপায়

  • হাত পরিষ্কার করে ধুতে হবে।
  • হাঁচি কাশি দেয়ার সময় রুমাল বা হাতের কুনই ব্যবহার করতে হবে।
  • কেউ হাঁচি কাশি দিলে তার থেকে দূরে সরে যেতে হবে। কেননা এই রোগটি ভাইরাস , ব্যাক্টেরিয়া জীবাণুর মাধ্যমে ছড়ায়।
  • শীত বা বর্ষাকালে বাচ্চার প্রতি আলাদা যত্ন নিতে হবে।
  • বাচ্চার পর্যাপ্ত বিশ্রাম এর ব্যবস্থা করে দিতে হবে।
  • প্রতিদিন আপনার শিশুকে সুষম খাদ্য দিতে হবে ।
  • নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ দেখা দেয়ার আগেই টিকা দিতে হবে। ইনফ্লুয়েঞ্জার জন্য ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিন খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে ।
  • যদি বাচ্চাদের ডায়াবেটিস ,পুষ্টিহীনতা সমস্যা থাকে তাহলে এই রোগের চিকিৎসা করাতে হবে।

শেষকথাঃ

আজকের এই আর্টিকেলটিতে শিশুর নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ কেমন হবে এই সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনার চেষ্টা করেছি। সেই সাথে নিউমোনিয়ার ঘরোয়া চিকিৎসা , নিউমোনিয়ার ঔষধের নাম , নিউমোনিয়া প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত ধারনা দেয়া চেষ্টা করেছি ।

আজকের আর্টিকেলটি যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আপনাদের বন্ধু অথবা প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। আর নিউমোনিয়া রোগের লক্ষণ সম্পর্কে যদি কোনো পরামর্শ বা প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে লিখে জানাবেন আমারা আপনাদের সকল প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করব ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button